Sunday, October 27, 2019

১ ম বন্ধু ফাইয়াজ এর সাথে আমার পরিচয় ।

২০১৪ সালের শেষে ফাইয়াজের সাথে আমার পরিচয় খেলাধুলার মাধ্যমে
আমি তখন ঢাকা থেকে এসে একটা নতুন একাডেমীতে ভতি হলাম  একাডেমীর নাম টা হল শতাব্দী                 ক্রিকেট  একাডেমী। তো সেখানে আমি রেগুলার ক্রিকেট প্যাকটিস করতাম। একদিন কোচ আমাদের ডেকে বলে কালকে তোমারদের পিকনিক করবো তার সাথে আবার একাডেমীর নেকট গুলো ঠিকভাবে বাধঁবো সো সবাই যেন কালকে আসবা।

তার পর দিন সবাই গেল আমি সহ, তারপর কোচ আমাদের কে নেট লাগানোর জন্য ঐইখানে গত করতে বলে। তো সেখানে আমাকওে গিয়ে গত করার জন্য বলে । তারপর আমি সেখানে যাই।
গিয়ে দেখি  একটা কাল ছেলে কে সবাই ক্ষেপাচ্ছে আমাকে ছাড়া তারপর আমি ওর পক্ষ নিলাম।এর দেখি সে আমার পাশে এসে গত করতেছে। তারপর আমি তাকে জিঙ্গেস করলাম ভাই আপনার নাম কি? সে বলল আমার নাম ফাইয়াজ, তারপর আমি আমার নাম বললাম. তারপর থেকে আপনি থেকে তুমি হয়ে গেলাম, তারপর তুই তে চলে আসলাম, এভাবেই ফাইয়াজের সাথে আমার বন্ধুর সম্পকটা গভীর হয়ে গেল. 
একদিন সবাই মিলে  ওয়াজেদিয়া গেলাম একটা অনুষ্ঠানে সবার দাওয়াত ছিল। তো সেখানে আমি আর ফাইয়াজ গেছিলাম। সেখান থেকে ফাইয়াজের বাসা খুবই কাছে ছিল আর আমার বাসা অনেক দূরে তো ফাইয়াজ কে বললাম ফাইয়াজ তুই বাসায় চলে যা । আমার বাসায় আমি যেতে পারবে। 
সে আমাকে বললো ঠিক আছে। তারপর চলে গেলাম. পেছন থেকে দেখি ফাইয়াজ আমার কাদে হাত দিয়ে বলল চল তোকে বাসায় এগিয়ে দিয়ে আসি তারপর আমি যাব। তারপর থেকে আমি বুঝতে পারলাম যে ফাইয়াজ আসলেই প্রকৃত বন্ধু।

সো তাপর থেকে একসাথে নেটে ড্রিল করতে থাকলাম তাকে আমার পাটনার বানিয়ে। এভাবেই আমাদের বন্ধুর সম্পকটা আর বেশি গাড় হয়ে গেল। তারপর একসাথে আমি আর ফাইয়াজ ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম প্রথম বিভাগ ক্রিকেট টিমে প্যাকটিস করতে থাকলাম। সেইবার কার কোন প্রকার লিগ খেলা হয়নি কিছু কারনে।

তার পর আবার পরবতী বছরের জন্য প্রাকটিস করতে থাকলাম। সেভার খুবই কঠোর পরিশ্রম করিছিলাম।

তারপর থেকে আমি, ফাইয়াজ আর অন্যন্য বন্ধুরা মিলে প্রত্যেক শুক্রবার মিলে ঘুরতে যেতাম,
কখনও অনন্যা আবাসিক, কখনও সীবিচ, নেভাল, কনফুলীর তীরে সেটাই খুবই মজারদার হতো আমাাদের সকল বন্ধুদের জন্য। আমরা তার জন্য আলাদা করে সবাই ফান্ডে টাকা জমাতাম
সেই জমানো টাকা দিয়েই আমরা ঘুরতাম। তো সেখানের মধ্যে যাকে সবচেয়ে বেশি পচানো হতো 
সেই আমাদের সবার মধ্যমনি ফাইয়াজ।

ফাইয়াজ মানে জোকস..
একদিন আমরা প্লান করলাম যে আমরা সবাই মিলে শিকলবাহা যাব, সেখানে যাওয়া আসার খরচ লাগে লোকালে গেলে ১০০টাকা মানে বেঙ্গে বেঙ্গে যেতে হয় তো সবাই মিলে টাকা নিলাম ১০০,করে আর আমাদের মধ্যমনি ফেন্ড ফাইয়াজ নিল মাত্র ২০টাকা। সবাইতো অনেক ক্ষেপা তার উপর তারপর আমি আব্বুকে ফোন করে বল্লাম যেন আমার মোবাইলে ২০০টাকা পাঠায়, তারপর আব্বুকে আমার ফোনে ২০০ টাকা পাঠালো ঐই টাকা দিয়ে ঘুরলাম সবাই মিলে অনেক মজা করলাম।

মেলায় ঘুরার সময় লক্ষ্য করলাম যে মজাররে অপর পাশে খুব ভিড় সবাই দল বেধেঁ আছে সেখানে গিয়ে দেখলাম যে  একটা বৃদ্ধ লোক বসে আছে মুড়ির প্যাকেট নিয়ে, সবাই তার সাথে বসে আছে অনেক লোক তারপর দেখলাম যে,  একজন একজন তার কাছে আসছে তার পর সে সূরা পরে ফু দিয়ে মাথায় হাত বুলায় তার জোরে একটা থাপ্পর মাড়ে. 
তারপর সবাই মিলে প্লান করলাম যে মুড়ি খাব, কিন্তু সবাই ফাইয়াজের দিকে তাকালাম।তারপর সে সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল সবাই আমাকে বলির পাঠা বানাও। তোমরা নিজে তো কিছু পারনা।
শেষ পযন্ত আমাদের ফাইয়াজ বসলো ঐ লোকটার কাছে,
তারপর ফাইয়াজকে মাথায় হাতবুলায় জোরে একটা থাপ্পর দিল,সাথে সাথে সাকিব সেটা ভিডিও করলো।তার পর মুড়ি খেলাম।শেষমেষ সেখান থেকে ফিরে আসলাম..

তারপর ফাইয়াজের জীবনে কালবৈশাখীর জড় নেমে আসলো।তার এইচ   এস সি পরিক্ষার সময় তার আব্বু মারা গেল.....তার কয়েক বছর পর ২০১৯ সালে  এ তার মা হাট এ্যাটাক করে মারা গেল।
তার বতমানে তার বতমানে তার বড়,ভাই এক ছোন বোন, আর আমরা ছাড়া কেউই নেই।

দোয়া করবেন যেন আমরা আমাদের ফেন্ড সাকেল নিয়ে আজীবন থাকতে পারি।
আর আমার লেখা বাস্তবিক গল্পটা কেমন হলো? সবাই মাতমত দিবেন আশা করি আমি এই গল্পপা বাস্তবিক আমার বন্ধুর ফাইয়াজের জীবন থেকে নিয়ে লেখলাম।

পরবতী লেখবো আমার আরেক ফ্রেন্ড সাকিব কে নিয়ে, আর আমার লেখায় ভূল থাকতে পারে আশা করি ক্ষমার চোখে দেখবেন।

ধন্যবাদ,
  আমার লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য
                             লেখক সাইফুল ইসলাম তুহিন।
  





















 

Labels:

Thursday, September 5, 2019

Long distance Love story part 2

UNPRESENT  of Yang 

This boy (Big panda) was feeling yang absence. every day that boy has coming online just for wait yang(panda) .this boys always stay online for so long time after few days later Big panda message a lady this lady was good for mind not from heart. big panda trying to busy with job and others work but he always failed about that. and the lady continue message that boy..

few days later  this lady was fail in love with this big panda,and this lady trying to blackmail big panda by emotionally  after few days continue big panda was loved with  this lady.
because of her blackmails. then this lady took his fb password and blocked yang. and every symbol of Big panda's life.

20 later more this lady start presser big panda by physiology, emotionally,  mentality etc, then big panda did breakup with this lady 

after breakup with big panda start understanding his fault  and start waiting for yang.... and he message lot's to yang. but yang not come yet.this boy ready to accept his fault... but don't know yang will forgive him or not??

but yang  really different girl from others who good by heart, carefully, mentality strong,, and who always like to smiling...

if you want to know what  would happen next...... try to wait for part 3








Labels:

Wednesday, September 4, 2019

আমি আর ফাইয়াজ part3

চিকেন তানদুরি

আমি  আর ফাইয়াজ ক্রিকেট ১ম বিভাগের প্রাকটিস শেষ করে স্টেডিয়াম থেকে বাসায় ফিরছিলাম ঠিক ঐই সময় খুব বৃষ্টি হচ্ছিল তো রিক্সা যখন মুরাদপুর এসে থামল আমি ফাইয়াজ কে বললাম দোস্ত অনেক ক্ষিদা লাগছে চল কিছু খেয়ে নিই।ফাইয়াজ বলল চল এবার আমি রিক্সা ভায়া দিয়া ফাইয়াজকে নিয়া ডুকলাম জামান হোটেলে।


অনেক ক্ষন বসে থাকার পর  ওয়েটার আসার পর বলল কি খাবেন স্যার আমি বললাম মেনু Card আনেন । সে মেনু Card  এনে দিল। তার পর এখানে থেকে চিকেনের Order দিলাম ।তার পর আমরা দুজনেই কথা বলতে থাকলাম।

ওয়েটার কিছুক্ষন পর খাবার দিয়ে গেল। তার পর ফাইয়াজ ইচ্ছা মতো খেতে লাগলো যখন তার পর মাংস টা হাতে নিয়ে কিছুক্ষন আমার দিকে তাকায় তারপর মাংসের দিকে তাকায় আর আমাকে বলে তুই জানিস দোস্ত আমার মতো ছেলের এই খাবারটা খাওয়া উচিত না এই বলে আর মাংসে একটা কামড় মাড়ে,  তার পর আবার আমার দিকে তাকায় আর মাংসের দিকে তাকিয়ে বলে তুই জানিস দোস্ত এত দাম দিয়ে এই মাংস টা আমার জন্য খাওয়া ঠিক না তার পর মাংসে আবার কামড় মাড়ে
তার পর আবার আমার দিকে তাকায় আবার মাংসের দিকে তাকায় আবার বলে তুই জানিস এই মাংসের টাকায় একটা মুরগি কিনে খেতে পারতাম তার পর আবার মাংসের মধ্যে একটা কামড় বসাই এভাবেই করে পুরা মাংসটা সে খেয়ে ফেলে ।


হঠাৎ লক্ষ করলাম পাশের টেবিলের যত মানুষ আছে সবাই আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে তারপর যা দেখলাম ফাইয়াজ মাংসের সাথে পুরা হাড্ডিটা ও খেয়ে ফেলেছে তার দেখাদেখি আমি অবশেষে ওয়েটার আসল  এবং  আমাদের দুইজনের দিকে কেমন ভাবে যেন তাকিয়ে আছে? শেষ মেষ জিজ্ঞেস করলাম ভাই বিল কত? ওয়েটার বলল ২৩০টাকা তার পর তারাতারি বিল দিয়ে ভাগলাম।

Labels:

আমি আর ফাইয়াজ part2

পঁচা পুকুর


তখন ক্রিকেট প্রাকটিস করতাম ওয়াইজদিয়াতে তো আমরা যে খানে প্রাকটিস করতাম তার পাশেই একটা পুকুর ছিল যেটাতে সব সময় জোঁকে ভরপুর থাকতো। তো আমরা রেগুলার প্রাকটিস করতাম মাঠেই এবং প্রাকটিস শেষ করে আসার সময় সবাই ঐই পুকুর থেকে হাত মুখ ধোয়ে যার যার বাসায় চলে যেত।



একদিন অনেক বৃষ্টি ছিল তো সেদিনই  আমরা সবাই প্রাকটিসে গেছিলাম কিন্তু প্রাকটিস হলো না।
যার ফলে সবাই মিলে প্লান করলাম যে আমরা ফুটবল খেলব।



তার পর সবাই মিলে ফুটবল খেললাম .খেলার পর সবাইর কাপড় চোপরের খুব বাজে অবস্থা ঐই মূহুতে ফাইয়াজ এসে আমাকে বলল যে চল ঐই পুকুরে গিয়ে গোসল করি, আমিও কি মনে করে রাজি হয়ে গেলাম।তার পর দুজনে ইচ্ছামতো গোসল করলাম,



আমি ৩০ মিনিটের মতো ঐই পুকুরটাতে ছিলাম তার পর থেকে আর নামিনি । আর মিঃ ফাইয়াজ তার পর থেকে প্রতিদিন ঐই পুকুরে গোসল করতে লাগলো । তার পর আমার সারা গায়ে বিচি উঠে গেলো কিন্তু ফাইয়াজের কিছুই হলো না। তার পর থেকে পুকুরটার নাম দিলাম পঁচা পুকুর।

Labels:

Saturday, August 31, 2019

ফাইয়াজ আর আমি

                                                                 ফাইয়াজ আর আমি! 
তো অনেক দিন আগে আমি ফাইয়াজ থেকে ১০০০ টাকা ধার নিয়েছিলাম।একদিন হঠাৎ দুপুর ১২:৫০ এর দিকে ফাইয়াজ আমাকে কল দিয়ে বলল যত তারাতারি পারছ তাহেরাবাদ আয় আমি বললাম এখন আসতে পারবোনা, ফাইয়াজ অনেক গরম দেখিয়ে বলল বন্ধু যখন বিপদে পড়ে তো বাসায় বইয়া থাক ।আমি বললাম আসতেছি সালা। শেষ পযন্ত আমি তাকে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই পকেটে করে ৫০০ টাকার মতো নিয়ে গেছিলাম  ঐইখানে গিয়ে দেখি রিয়াদ, সাগর, সাকিব, আগে এসে দাড়িয়ে আছে আমি জিজ্ঞেস করলাম তোরা এইখানে কি করছ ,তারা সবাই একিই উত্তর দিচ্ছে যে ফাইয়াজ নাকি সমস্যায় পরছে,আমি রেগে  সবাইকে বললাম ফাইয়াজ কই  আগে হালারে খুইজ্জা বাইর কর। সবাই যখন খুজঁতে যাব তখন দেখি ফাইয়াজ সামনে পরছে, ফাইয়াজ বলল কি আইছস, সবাই বল না আমাগো রবট পাটাইসে. চল উপরে যাই  সবাই বললাম কেন ? ফাইয়াজ বললো উপরের সাইন বোড টা দেখ কি লিখা আছে দেখলাম কাজি অফিস আমি বললাম তুই কি বিয়া করবি? ফাইয়াজ বলল হালার পো আমি না তাহমিদ বিয়া করবে। সবাইতো অবাক আর ফান করে বললাম তাহমিদ তোকে ছ্যাকা দিয়া কোন মাইয়ারে বিয়া করতাছে? সব শেষে তাহমিদের বিয়া পড়ালাম তার পর কাজি বলল মিষ্টি ছাড়া কি বিয়ে হয় নাকি?

  এবার সবাই রুম থেকে বেরিয়ে বলল তোদের কার কাছে কত টাকা আছে? রিয়াদ বলল নাই, সাকিব বলল আমার কাছে ৫০ টাকা আছে,  এখন সবাই ফাইয়াজ কে জিজ্ঞেস করল তোর কাছে কত টাকা আছে সবাইকে তো তুই বিয়া পরাইতে আনছস. ফাইয়াজ বলল আমার কাছে ২০ টাকা আছে এই সুযোগে আমি বললাম ফাইয়াজ তুই না আমার কাছে টাকা পাছ.ফাইয়াজ বললো হ পাইতো.. আমি বললাম এই নে তোর ৫০০ টাকা বাকি টাকা পরে নিস। ফাইয়াজ বললো এখন আমার কোন টাকার দরকার নেই আমি বললাম এখন না নিলে আর পরে পাবিনা। সবাইর চাপাচাপিতে ফাইয়াজ টাকাটা নেয় আমার থেকে। আর ফাইয়াজের টাকায় মিষ্টি,কুক,কেক,পানি ইচ্ছা মতো কিনে ্আনতে পাঠলো এবং আমরা মন ভরে তা খেলাম ।

শিক্ষনীয় বিষয়ঃ কিপ্টা বন্ধু থেকে টাকা ধার নিলে তাকে  ঐই সময়েই ফেরত দিন সে সময় তার টাকায় খাওয়ার সাথে সাথে আপনার টাকাটাও পরিশোধ হয়

Labels:

১ টাকার কয়েন

                                                         ১ টাকার কয়েন part 1


কোন ১ টা সময়ে সম্ভবত ২০১৮  সালে তানহা নামে একটা ছাত্রী পড়তো আমার বাসায় এসে
সে আমার বন্ধু সাকিবের জি এফ ছিল। তো একদিন হঠাৎ করে তানহা ফোন করে বলে যে সাকিবকে নাকি সে বলেছে সে নাকি আমার কাছে পড়বে। তো আমি বললাম দেখো আমার বাসার পরিবেশটা খুব একটা ভাল না সে বলল যে সমস্যা নাই আমি পড়তে পারব।

তার দুইদিন পর আসল পড়তে আমার কাছে পড়তে তো প্রথম দিন তাকে খুব বেশি পড়লাম না
মেয়েটা পড়ার ব্যাপারে খুব বেশি আগ্রহ ছিল না । যাই কোন তাকে আমি পড়াতাম আমার রুমেে তো আামদের মধ্যে ভাই বোনের মতোই সম্পক টা হয়ে গেল তাকে কখনোই খারাপ চোখে দেখতাম না । এভাবেই তার সাখে খুব বেশি ফ্রি হয়ে গেছিলাম। ও একদিন হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে গেছিলো তো আমি তাকে দেখতে গেলাম আর  একজনকে সাথে নিয়ে এবং সাকিব আমাকে  পাঠিয়েছিল যাতে তার বাসা থেকে তার খাতা তা নিয়ে আসি। তো আমি তাকে দেখতে গেলাম  এবং দেখে আসার সময় সাকিবের খাতা টা নিয়ে আসলাম তাহনার বাসা থেকে।
কিছুদিন পর তার  ইন্টার এর ফাইনাল টেস্ট শুরু হয়
তো সে টেস্ট পরিক্ষা দিয়ে এসে টার পরিক্ষা যখন ভাল হয়েছে  সে আবার আমার বাসায় এসেছে।
তো সে এবার আমাকে বলতেছে তোমার জন্য একটা গিফট আছে আমি তো অবাক আর জানতে চাইলাম আমার জন্য গিফট মানে তানহা বলল বারে আমারতো পরিক্ষা ভাল হয়েছে।এবং সে আমাকে বলল আমার বইটা খুলো  এবং তোমার গিফটা বুজে নাও.আমি বই খুললাম কিন্তু কিছুই খুঁজে পেলাম না.সে বলল আর একটা পেইজ উল্টাও আমি উল্টালাম তার পর দেখতে পেলাম
১টাকার ১টা লাল পয়সা.আমি অবাক হলাম  এবং বললাম এইটাই আমার গিফট! সে বলল জি মশাই..


তো আমি বললাম কারে অপ্রয়োজনীয়  জিনিস ও হতে পারে কার জন্যে দামি উপহার।

Next part coming soon........

Labels:

Monday, August 26, 2019

সোসাল মিডিয়া লাভ স্টোরি

সোসাল মিডিয়া লাভ
২০১৭ সালের শুরুতে নিলুমা নামের এক মেয়ের সাথে আমার পরিচয় হয় ফেসবুকে,শুরুতেই সেই আমাকে ৪ টা স্মাইল স্টিকার পাঠায় আমাকে তো এক দিন হঠাৎ করে ফেসবুকে ঢুকলাম আর  ইনবক্স এ দেখলাম ৪ টা স্মাইল । তার পর আমি মেসেজের রিপ্লাই দিলাম তো তার পর একে একে সব কিছু জানলাম তার। মজার ব্যাপার হল তার জম্ম তারিখ হল ২৬শে মাচ আর আমার ১৭ মাচ আমাদের মধ্যে সব পছন্দ গুলো ও খুব মিল ছিল যে কারনে আমি তাকে আমার ডান পাজরের হার বলে ডাকতাম.তো  এ ভাবেই চলছিল হঠাৎ করে কিছুদিন যেতে না যেতেই আমি তার ও সে আমার প্রেমে পড়ে গেলাম। যখন তাকে ভালবাসি বললাম তার  আগে সে আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলো যে সবার মতো আমাকে ছেড়ে যাবে না তে? আমি বলেছিলাম কখনোই না।তার পর সে আমার প্রপ্রোজাল গ্রহন করল।তার পর সে আমাকে নাম্বার দিল,আর বলছিলো যাতে  তাকে কল দেওয়ার আগে তাকে জিজ্ঞেস করে নেই।তার পর ফোন দিলে তাকে জিজ্ঞেস করে নিতাম।  এভাবেই তার প্রতি আমি অনেক দুবল হয়ে পড়ছিলাম।এক দিন হঠাৎ শুনতে পেলাম সে খুব অসুস্থ  তার পর আমি তার জন্য একটা রোজা রাখছিলা,এবং তার বাম হাতে একটা প্রব্লেম ছিল যার জন্য আমি  এক খতম কোরআন পড়বো বলছিলাম শেষে যখন তার হাতের প্রব্লেম ঠিক হল তখন আমি আমার  ওয়াদা পূরণ করলাম



৪মাস পর হঠাৎ  একদিন সে অনলাইনো আসে,আবার আসে না,একদিন জিজ্ঞেস করলাম কি হল
হঠাৎ  এমন করতেছো কেন? আর অনলাইনে আসলে আমার সাথে কথা বল না ঠিকমতো, আমাকে উত্তর দিল তোমাকে বলার প্রয়োজন মনে করিনা।তার পর আবার জিজ্ঞেস করলাম কাউকে খুজতেছো নাকি সে বলল আমার ক্রাশ কে খুজি  এল বলে সে আমাকে তার ক্রাসের পিক পাঠালো আমি দেখলাম তার আমার চোখের পানি ছাড়লাম যাকে এত লাভ করলাম.সে  এখন আমাকে এইসব কি বলছে?তার পর থেকে সে আমাকে ইচ্ছামতো ছোট খাট ব্যাপার গুলো নিয়ে অনেক আঘাত দেওয়া শুরু করলো আমি কিছু বলতাম না।

কিছুদিন পর সে আমাকে বললো তার নাকি বাংলাদেশ ইয়ার লাইন্সের পাইলটের সাথে ছোট বেলা থেকেই বিয়ে ঠিক হয়ে আছে।আর আমাকে বললো যাতে  আমি তাকে ভুলে যাই.আমি নাকি তার চেয়ে খুব ভাল মেয়ে পাব.........................Continue........

Labels: , , , ,